
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র একটি শক্তিশালী চুক্তি নিশ্চিত করবে অথবা ‘অন্য কোনো উপায়ে’ দেশটির মুখোমুখি হবে। সোমবার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ মন্তব্য করেছে। যুদ্ধ অবসানের চুক্তি খুব কাছাকাছি এবং চুক্তির জন্য ওয়াশিংটন কোন তাড়াহুড়ো করবে না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুর নরমের পর রুবিও এ মন্তব্য করছে।
মধ্যস্থতাকারীরা একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য চাপ দিলেও গত ৮ এপ্রিল থেকে ওয়াশিংটন ও তেহরান যুদ্ধবিরতি পালন করছে। ইরান এখনও বেশির ভাগ জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ এবং ইরানের বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছিল, চুক্তিতে পৌঁছানো সেটি প্রত্যয়িত এবং স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন অবরোধ পুরোপুরি বহাল থাকবে। এ বিষয়ে উভয় পক্ষকে পর্যাপ্ত সময় নিতে হবে এবং এটি সঠিকভাবে করতে হবে।
তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার বিষয়ের একটি বড় অংশের ক্ষেত্রে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। এর মানে এ নয় যে চুক্তি স্বাক্ষর একেবারে সন্নিকটে। সে বলেছে, এ মুহূর্তে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক সমস্যা নিয়ে কথা বলছে না এবং তাদের মূল মনোযোগ যুদ্ধ অবসানের ওপর। যে কোনো সম্ভাব্য চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে কি না, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। তেহরান কোনো হুমকির তোয়াক্কা করে না।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ অবসানের সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে নয়াদিল্লিতে রুবিও বলেছে, আমরা ভেবেছিলাম গতকাল রাতে অথবা সম্ভবত কোনো খবর পেতে পারি। এটি নিয়ে এখন খুব বেশি ভাবার কিছু নেই। ভারতের রাজধানীতে সরকারি সফরে থাকা রুবিও সাংবাদিকদের বলেছে, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার এবং উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে তাদের সক্ষমতা নিয়ে আমার মনে হয় আমাদের টেবিলে বেশ জোরালো একটি প্রস্তাব রয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা।

