সিনেমার জগতে নন্দিত ও দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী আইশা খান

বিনোদন ডেস্ক: বর্তমান সময়ের অন্যতম নন্দিত ও দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী আইশা খান। নিজস্ব অভিনয় শৈলী, ব্যক্তিত্ব আর স্নিগ্ধতায় খুব অল্প সময়ে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে তিনি। সমসাময়িক ঝোঁকে গা ভাসিয়ে না দিয়ে বরাবর কাজ নির্বাচনে সচেতন তিনি। নাটক, ওয়েব সিরিজ কিংবা সিনেমা প্রতিটি মাধ্যমে নিজেকে মেপে পথ চলছে এ অভিনেত্রী। নিজের অভিনীত ‘শেকড়’ সিনেমাটি নিয়ে বিদেশের মাটিতে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে আইশা। সেখানে তার অভিনীত ‘ফাল্গুনী’ চরিত্রটি দর্শক মহলে সমাদৃত হয়েছে। এ সাফল্যের রেশ ধরে এখন নতুন কোনো কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে চান না তিনি। শেকড়ের পর আসলে খুব শিগগির আর কোনো কাজের সঙ্গে যুক্ত হবো না। আপাতত তেমন ইচ্ছে নেই। আমি তো প্রতিনিয়ত অনেক ভুল করছি এবং সেই ভুল থেকে শিখছি। নিজেকে আরেকটু পরিণত করতে চাই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার ও কাজের দর্শন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছে আইশা খান।

            আইশা খান নিজের কাজের মূল্যায়ন করতে গিয়ে জানায়, এখন সব ধরণের কাজ করার তাড়না বোধ করছে না তিনি। বরং নিজের খামতিগুলো শুধরে নিজেকে আরও যোগ্য করে গড়ে তোলা তার বর্তমান লক্ষ্য। আমার কাছে এ মুহূর্তে মনে হচ্ছে যে, সবার আসলে সবকিছু করার প্রয়োজন নেই। হয়তোবা আমি এখনো বড় পর্দার জন্য পুরোপুরি উপযুক্ত নই। এর আগে আমি যে কাজগুলো করেছি, সেগুলো হয়তো মানুষের সেভাবে পছন্দ হয়নি। আমার হয়তো কমতি ছিল। যেহেতু আমি কোনো থিয়েট্রিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসিনি, তাই শেখার অনেক কিছু আছে। আমি যদি অনেক কিছু জানতাম বা পারতাম, হয়তো এ দ্বিধা-দ্বন্দ্ব তৈরি হতো না।

বাংলা চলচ্চিত্রের বর্তমান জোয়ার নিয়ে আইশা খান বেশ ইতিবাচক। বিশেষ করে ২০২২ সালে ‘পরাণ’ ও ‘হাওয়া’ সিনেমার মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রিতে          আইশা খান আরও বলেন, তার যে পরিবর্তন এসেছিল, তার প্রশংসা করেন তিনি। তখন আমাদের সবার মুখে একটা কথা ছিল হাওয়া সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি বদলে দিয়েছে। তার ধারাবাহিকতায় এখন ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ এর যে সাফল্য দেখছি, তা সত্যি উপভোগ করছি। ভালো লাগছে। ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে তিনি আরও বলেন, বনলতা এক্সপ্রেস আমার প্রিয় এক নির্মাতার কাজ, যার সঙ্গে আমার দুটি কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছিল। সেখানে আমার পছন্দের শিল্পীরা আছেন, তাদের এ উন্নতি দেখে আনন্দ লাগছে। সামনে আবার ‘রইদ’ আসবে। এ নির্মাতার সঙ্গে আমার বিজ্ঞাপন ইন্ডাস্ট্রিতে প্রথম কাজ করা হয়েছিল। তাই আশা করছি, ‘হাওয়া’ যেভাবে ইন্ডাস্ট্রির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল, ‘রইদ’ সিনেমাটি চলচ্চিত্রের জন্য দারুণ কিছু নিয়ে আসবে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *