
বিশেষ খবর ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অমূল্য উপহার হিসেবে নিজের নোবেল পুরস্কার তুলে দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো। চলতি মাসের শুরুতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে নিয়ে আসে মার্কিন সেনারা। এরপর থেকে ট্রাম্পের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করছেন মাচাদো। তার লক্ষ্য ভেনেজুয়েলার ক্ষমতায় বসা। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) এর অংশ হিসেবে হোয়াইট হাউজে গিয়ে ট্রাম্পের হাতে নোবেল উপহার দিয়ে আসেন তিনি। এর বদলে ট্রাম্প মাচাদোকে তার স্বাক্ষর সম্বলিত একটি ব্যাগ দিয়েছেন। এ ব্যাগটি নিয়ে তাকে হোয়াইট হাউজ থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গেছে।
সংবাদ মাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, মাচাদো যদি মনে করে থাকেন ট্রাম্পকে নিজের নোবেল দিয়ে তিনি ক্ষমতায় বসার জন্য সমর্থন পাবেন তাহলে আপাতত যা মনে হচ্ছে তাকে আরো অপেক্ষা করতে হবে। অর্থাৎ মাচাদোর এখন ক্ষমতায় বসা হচ্ছে না।
এদিকে গত বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার জেতেন মাচাদো। এ সময় তিনি ভেনেজুয়েলাতে ছিলেন। এ পুরস্কার নিতে সাগরপথ পাড়ি দিয়ে নরওয়ের রাজধানী অসলোতে পৌঁছে নোবেল পুরস্কার গ্রহন করেছিলেন তিনি।
অন্যদিকে এ নোবেল পুরস্কার পাওয়ার জন্য প্রকাশ্যে নিজের আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু নোবেল কতৃপক্ষ তাকে না দিয়ে নোবেল দেওয়া হয় মাচাদোকে। এ পুরস্কার আবার মাচাদো তুলে দিয়েছেন ট্রাম্পকে। কিন্তু নোবেল কমিটি স্পষ্ট করেছে যাকে পুরস্কারটি দেওয়া হয়েছে তিনি নোবেলজয়ী হিসেবে বিবেচিত হবেন।

গত ৪ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী, ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেসকে ‘আটক’ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যায়। মাদুরো ও তার স্ত্রীকে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে রাখা হয়েছে এবং তাদেরকে আমেরিকান বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। তা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প প্রশাসন বহুদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, মাদুরো সরকার যুক্তরাষ্ট্রে মাদক ও গ্যাং সদস্য পাঠাচ্ছে। এ নিয়ে ভেনেজুয়েলার ওপর নানারকম চাপ প্রয়োগের পর মার্কিন এ অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করা হয়।
সূত্র: সিএনএন

