
জাতীয় ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে জয়ী হয়েছে সাদিক কায়েম এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী হয়েছে ফরহাদ হোসেন। এ নির্বাচনে চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮ টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট ভবনে নির্বাচন কমিশন চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেছে। এ নির্বাচনে ২৮ টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৭১ জন প্রার্থী।
কোন পদে কে জিতলেন: সহ-সভাপতি (ভিপি): মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ১৪ হাজার ৪২, সাধারণ সম্পাদক (জিএস): এস এম ফরহাদ হোসেন (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ১০ হাজার ৭৯৪, সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস): মুহা মহিউদ্দীন খান (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ১১ হাজার ৭৭২, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক: ফাতেমা তাসনিম জুমা (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ১০ হাজার ৬৩১, কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক: উম্মে ছালমা (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৯ হাজার ৯২০, আন্তর্জাতিক সম্পাদক: জসীমউদ্দিন খান (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৯ হাজার ৭০৬, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ (স্বতন্ত্র) প্রাপ্ত ভোট ৭ হাজার ৭৮২, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক: মো. ইকবাল হায়দার (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৭ হাজার ৮৩৩, গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক: সানজিদা আহমেদ তন্বি (স্বতন্ত্র) প্রাপ্ত ভোট ১১ হাজার ৭৭৮, ক্রীড়া সম্পাদক: আরমান হোসেন (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৭ হাজার ২৫৫, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক: আসিফ আব্দুল্লাহ (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৯ হাজার ৬১, সমাজসেবা সম্পাদক: যুবাইর বিন নেছারী (স্বতন্ত্র) প্রাপ্ত ভোট ৭ হাজার ৬০৮, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক: এম এম আল মিনহাজ (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৭ হাজার ৩৮, মানবাধিকার ও আইন সম্পাদক: মো. জাকারিয়া (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ১১ হাজার ৭৪৭, ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক: মো. মাজহারুল ইসলাম (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৯ হাজার ৩৪৪।
কার্যনির্বাহী সদস্য: সাবিকুন নাহার তামান্না (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ১০ হাজার ৮৪, সর্ব মিত্র চাকমা (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৮ হাজার ৯৮৮, ইমরান হোসাইন (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৬ হাজার ২৫৬, মোছা. আফসানা আক্তার (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৫ হাজার ৭৪৭, তাজিনুর রহমান (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৫ হাজার ৬৯০, রায়হান উদ্দীন (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৫ হাজার ৮২, মো. মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৫ হাজার ১৫, আনাস ইবনে মুনির (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৫ হাজার ১৫, হেমা চাকমা (প্রতিরোধ পর্ষদ) প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ৯০৮, মো. বেলাল হোসেন অপু (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ৮৬৫, মো. রাইসুল ইসলাম (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ৫৩৫, মো. শাহিনুর রহমান (ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল) প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ৩৯০, উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়া (স্বতন্ত্র) প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ২০৯।
কোন পদে কতজন প্রার্থী ছিলেন: সহ-সভাপতি (ভিপি): ৪৫ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস): ১৯ জন, সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস): ২৫ জন, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক: ১৭ জন, কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক: ১১ জন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক: ১৪ জন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: ১৯ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক: ১২ জন, গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক: ৯ জন, ক্রীড়া সম্পাদক: ১৩ জন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক: ১২ জন, সমাজসেবা সম্পাদক: ১৭ জন, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক: ১৫ জন, মানবাধিকার ও আইন সম্পাদক: ১১ জন, ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক: ১৫ জন, ১৩ সদস্য পদের বিপরীতে প্রার্থী: ২১৭ জন।


